শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে টেকনাফে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রাশেদ মোহাম্মদ সিনহা হত্যাকাণ্ডের ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসের দ্রুত ফাঁসি কার্যকর ও তার সহযোগীদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কক্সবাজারের টেকনাফের সাধারণ নাগরিক ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। 

শনিবার বিকাল ৪ টায় টেকনাফ পৌরসভার জিরো পয়েন্ট শাপলা চত্বরে জমায়েত হয়ে মিছিল সহকারে টেকনাফ থানার সামনের প্রেসক্লাবে গিয়ে বক্তারা বক্তব্য রাখেন।

এসময় বক্তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর ও তার সহযোগীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায়।

মিছিল শেষে বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি মোরশেদ আলম, রবিউল হাসান মামুন, সাইফুল ইকবাল ও জুবায়ের আজিজ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের সহযোগিতায় মাদক প্রতিরোধের নামে টেকনাফের প্রায় ২০০ জনকে হত্যা করা করেছে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাস।

পিতৃহারা ও স্বামী হারা লোকজনের আর্তনাদ টেকনাফের আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করছে সাধারণ মানুষ।

২০২০ সালে ৩১ জুলাই রাতে মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। ২০২০ সালের ৩১ জুলাই নিহত হওয়ার পর পুলিশ বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় ২ টি এবং রামু থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করে সিনহার বোন শারমিন শাহারিয়ার। মামলাটির তদন্ত দেয়া হয় র‌্যাবকে। তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জন অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযুক্ত পত্র দাখিল করা হয়। ২০২১ সালের ২৩ আগস্ট থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে সাক্ষ্য গ্রহণ। যেখানে ৮ দফায় ৬৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি আদালত এই মামলায় ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদনণ্ড, ছয় জনকে যাবজ্জীবন ও সাত জনকে খালাস দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888